- প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৭০ ভাগ লোক।
- সরকার জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে- পহেলা অগ্রহায়ণকে
- কৃষিকাজের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত- দো-আঁশ মাটি ।।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলগুলো- পাট, চা, তামাক।
- সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়- ফরিদপুর জেলায়।
- শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত- বরিশাল জেলা।
- সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদিত হয়- ঠাকুরগাঁও জেলায়।
- জৈব সার আবিষ্কার করেন- ড. সৈয়দ আবদুল খালেক।
- কৃষি উন্নয়নে “রাষ্ট্রপতি পুরস্কার" প্রদান করা হয়- ১৯৭৩ সাল থেকে ।
- বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারকে জাতীয় কৃষি পুরস্কারে রূপান্তরিত করা হয়- ২০০২ সালে
- আণবিক কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BINA) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে- ২০০০ সালে এবং এ পর্যন্ত কৃষিশুমারী হয়েছে- ৬টি।
- রবি শস্য বলতে বুঝায়- শীতকালীন শস্য খরিপ শস্য বলতে বুঝায়- গ্রীষ্মকালীন শস্য বাংলাদেশে।
কৃষি সম্পদে বিভিন্ন ফসল
পাট
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়- ফরিদপুর জেলায় ।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- দ্বিতীয়।
- এশিয়ার বৃহত্তম পাট কল- আদমজী পাটকল (৩০ জুন, ২০০২ সাল থেকে বন্ধ) |
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IISG) অবস্থিত- ঢাকা।
চা
- বাংলাদেশে প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়- ১৮৪০ সালে ।
- বাণিজ্যিক ভাবে প্রথম চা বাগান করা হয়- ১৮৫৭ সালে প্রথম চা জাদুঘর করা হয় ২০০৯ সালে; শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল।
- চা উৎপাদনে শীর্ষে- চীন ।
- সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়- মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ।
- বাংলাদেশে মোট চা বাগান আছে- ১৬৭টি।
- দেশের প্রথম অর্গানিক চা বাগান পঞ্চগড়ে; ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা।
তুলা
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা জন্মায়- ঝিনাইদহ জেলায়।
- তুলা উন্নয়ন বোর্ড- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
তামাক
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তামাক জন্মায়- কুষ্টিয়া।
রেশম
- রেশম পোকার চাষকে বলা হয়- সেরিকালচার (Sericulture) |
- রেশম পোকা(পলু) বা মথ বেঁচে থাকে- ভূত গাছের পাতা খেয়ে ।
- রেশম বোর্ড অবস্থিত- রাজশাহীতে।
- রেশম উৎপাদিত হয়- রাজশাহী অঞ্চলে।
রাবার
- বাংলাদেশের প্রথম রাবার বাগান হলো- কক্সবাজারের রামুতে। |
- রাবার চাষ হয়- বৃহত্তর সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ।
- রাবার জোন হিসেবে খ্যাত- বান্দরবান জেলার বাইশারী।
ধান
- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- ধান উৎপাদনে বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- পূর্বাচী উন্নত জাতের ধানটি আনা হয়- চীন থেকে।
- ধান উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ- চিন।
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত- লেগুনা, ফিলিপাইন।
গম
- বাংলাদেশের সর্বাধিক গম উৎপাদিত হয়- ঠাকুরগাঁও জেলায়।
- বাংলাদেশে গম চাষ হয় শীত মৌসুমে।
- গম রবিশস্যের অন্তর্ভূক্ত ফসল ।
আলু
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়- বগুড়া জেলায়।
- বাংলাদেশে আলু আনা হয়- নেদারল্যান্ডস থেকে ( ওয়ারেন হেস্টিংস এর উদ্যোগে)
- গোল আলু আমেরিকা থেকে ভারতে আনে পর্তুগিজরা।
আম
- বিশ্বের সবচেয়ে সুস্বাদু ফল।
- উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে-৭ম ।
- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- নওগাঁ।
কৃষি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল- চা (চা এর আদিবাস- চীন)।
- বাংলাদেশে চা গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত- শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- সবচেয়ে বেশি চা জন্মে মৌলভীবাজার জেলায় দ্বিতীয় চা উৎপাদনকারী জেলা- হবিগঞ্জ
- বাংলাদেশের অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয়েছে- পঞ্চগড় জেলায়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম চা চাষ শুরু হয়- ১৮৪০ সালে সিলেটের মালনিছড়া।
- বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রথম চা চাষ শুরু হয়- ১৮৫৭ সালে।
- রেশম বেশি উৎপন্ন হয়- চাঁপাইনবাবগঞ্জে আর রেশম বোর্ড অবস্থিত- রাজশাহীতে।
- তামাক জন্মে বেশি- কুষ্টিয়া জেলায়, তুলা জন্মে বেশি- যশোর জেলায়।
- বাংলাদেশের রাবার উৎপন্ন হয়- চট্টগ্রাম, মধুপুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম।
- রামু নামক স্থানে রাবার চাষের জন্য বিখ্যাত স্থান- কক্সবাজারের রামু।
- ইউরিয়া সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়- মিথেন গ্যাস (CH) |
- আনারস বেশি উৎপন্ন হয়- পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলায়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প- তিস্তা বাঁধ প্রকল্প।
- জি-কে প্রকল্প মূলত গঙ্গা-কপোতাক্ষের মধ্যে সেচ প্রকল্প।
- ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত- ঈশ্বরদীতে (পাবনা)।
- জুমচাষ করা হয়- পাবর্ত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান- গাজীপুর জেলার কাশিমপুরে।
জেনে নিই
- BADC হলো প্রধান বীজ উৎপাদনকরী সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- IRRI প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৬০ সালে, অবস্থিত- ম্যানিলা, ফিলিপাইন ।
- BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭০ সালে, অবস্থিত- গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
- BARI প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৬ সালে, অবস্থিত- গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
- আদমজি পাটকল বন্ধ হয়ে যায়- ৩০ জুন, ২০০২ সালে বাংলাদেশে।
- পাট ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র- নারায়ণগঞ্জ।
- প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয়- নারায়ণগঞ্জকে (ডান্ডি শহরটি অবস্থিত- স্কটল্যান্ডে)।
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার নাম- 1JO (International Jute Organization ) এর দপ্তর অবস্থিত- ঢাকায়।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত আর পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- বাংলাদেশ।
- পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন- ড. মাকসুদুল আলম ।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা ।
- পাট থেকে পচনশীল পলিমার ব্যাগের উদ্ভাবক- মোবারক আহমদ।
- দেশের উন্নত জাতের পাটবীজ- তোসা। পাট পাতা দিয়ে সবুজ চা তৈরি করা প্রথম দেশ- বাংলাদেশ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
শিংনাথ
ডায়মন্ড
শুকতারা
মার্ভেলন
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে কাজ শুরু করে। স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয় ও এটির নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এই প্রতিষ্ঠান খাদ্য চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে নিত্য নতুন ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টায় নিয়োজিত। সংক্ষেপে এই সংস্থাটি ব্রি বা বি আর আর আই (বাংলাদেশ রাইচ রিচার্স ইনস্টিটিউট) নামেও পরিচিত। ৯ জানুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত ব্রি উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাতের সংখ্যা ১১৫টি। (সর্বশেষ:কৌলিক সারিটি ব্রি ধান১০৮)
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক ধান্য গবেষণা কেন্দ্র (ইংরেজি: International Rice Research Institute (IRRI)) হল একটি স্বশাসিত, অলাভজনক, কৃষিবিষয়ক বিশ্লেষণ এবং প্রশিক্ষণ সংস্থা। ধানের জাত উন্নয়ন, নতুন ধান উৎপাদন, এলাকা অনুযায়ী ধানের জাত তৈরি ইত্যাদি গবেষণা কাজে নিয়োজিত ফিলিপাইনের ম্যানিলাতে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র। যার সতেরটি দেশে অফিস রয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ২০৫ টির ও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। এই প্রতিষ্ঠানটি ডা.কাজী এম বদরুদ্দোজা দ্বারা স্থাপিত হয়েছে।
১৮৮০ সালে ব্রিটিশ ফেমিন কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে 'বেঙ্গল ল্যান্ড রেকর্ডস ডিপার্টমেন্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে কৃষি বিভাগকে এই ডিপার্টমেন্টের আওতামুক্ত করে 'পরমাণু কৃষি গবেষণাগার' প্রতিষ্ঠা করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৩২- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ আদেশ, ১৯৭৩ বলে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৩ সালে এই প্রতিষ্ঠানের নাম ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ এ পরিবর্তন করে স্বায়ত্তশাসিত করা হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট | |
| সংক্ষেপে | বারি |
| গঠিত | ৫ এপ্রিল, ১৯৭৩ |
| ধরন | সরকারি |
| আইনি অবস্থা | সক্রিয় |
| সদরদপ্তর | জয়দেবপুর, গাজীপুর |
| যে অঞ্চলে কাজ করে | বাংলাদেশ |
| মহাপরিচালক | ড. মো. আব্দুল্লাহ ইউছুফ আখন্দ |
| প্রধান অঙ্গ | কৃষি মন্ত্রণালয় |
| ওয়েবসাইট | বারি |
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
পাকিস্তান চা বোর্ড, ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে একটি চা গবেষণা স্টেশন প্রতিষ্ঠা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার স্টেশনটিকে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করে। ভারতের আসামের পরেই উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরাতন চা গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে শ্রীমঙ্গলে। যা দেখতে প্রচুর পর্যটক আসে।
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বাংলাদেশ চিনিফসল গবেষণা ইনস্টিটিউট (পূর্বনাম বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট) একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট যা আখ এবং অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় উদ্ভিদের গবেষণা পরিচালনা করে। ইনস্টিটিউটটির প্রধান কার্যালয় ঈশ্বরদী উপজেলার পাবনা-ঈশ্বরদী সহাসড়ক সংলগ্ন অরণকোলা ও বহরপুর মৌজার ২৩৫ একর জমিতে অবস্থিত। এখানে ইক্ষুর উপর এবং চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপর গবেষণা হয়। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত, পাট বিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের একমাত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৩৬ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (আইসিজেসি) আওতায় ঢাকায় জুট এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে পাটের গবেষণা শুরু হয়। ১৯৫১ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (আইসিজেসি) স্থলে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটি (পিসিজেসি) গঠিত হয় যার সদর দপ্তর ছিল ঢাকায়। ১৯৫১ সালে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটি এর অধীনে পাট গবেষণাগার স্থাপিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে (সংশোধিত হয় ১৯৯৬ সালে) প্রতিষ্ঠিত হয় বর্তমান বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (সংক্ষেপে "বিনা"), বাংলাদেশের, পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কৃষিতে পারমাণবিক কৌশলের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন অধিক উৎপাদনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, ভূমি ও পানির উত্তম ব্যবস্থাপনা, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নতুন কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং ফসলের রোগ ও পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণার মূল বিষয়। প্রতিষ্ঠানটি ময়মনসিংহ শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থিত। এতে প্রায় ৮০জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দায়িত্বরত আছেন। বাংলাদেশের রংপুর, ঈশ্বরদি, মাগুরা, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, জামালপুর, খাগড়াছড়ি, সুনামগঞ্জ, শেরপুর, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, নোয়াখালীও চাঁপাইনবাবগঞ্জে এটির ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
১৯৬১ সালে ঢাকার আণবিক শক্তি কমিশনের রেডিও-ট্রেসার গবেষণাগারে এর যাত্রা শুরু হয়। একে কেন্দ্র করে, ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে আণবিক শক্তি কমিশনে "পরমাণু কৃষি ইনস্টিটিউট" গঠন করা হয়। ১৯৭৫ সালে এটিকে ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৮২ সালে এটি স্বতন্ত্র কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদা পায় ও এটিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেয়া হয়। ১৯৮৪ সালে অধ্যাদেশ নং-২ জারি করার করে এটিকে জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং সেই সাথে এটিকে "বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট" হিসেবে নামকরণ করা হয়।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন সংক্ষেপে বিএডিসি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশসিত প্রতিষ্ঠান। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII,১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
সার্ক কৃষি কেন্দ্র হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার একটি প্রতিষ্ঠান, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে কৃষিক্ষেত্র গবেষণা ও বিকাশের জন্য কাজ করে।
সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার বা সার্ক কৃষি কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য একটি আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৮ সালে এর নাম হয় সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র। ২০০৭ সালে এর নাম হয় সার্ক কৃষি কেন্দ্র। কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার জন্য মূলধন বাংলাদেশ সরকার সরবরাহ করেছিল। এটি সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আর্থিক সহায়তা লাভ করে।
Read more